ইস্ত্রির ছ্যাঁকা দিয়ে লজ্জা স্থানসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়িয়ে দিয়েছে গৃহকর্মীর

0

আলোচিত সংবাদ প্রতিবেকঃ গৃহকর্ত্রীর বিরুদ্ধে লিমা আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরী গৃহকর্মীর গরম ইস্ত্রির ছ্যাঁকা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ।নির্যাতিতা লীমা হালুয়াঘাট উপজেলার কৈচাপুর ইউনিয়নের দর্শারপাড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে। বর্তমানে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

কিশোরী জানায়, প্রথম কয়েক মাস ভালই ছিল।ছোট খাটো বিষয় নিয়ে মারধর শুরু হয় গত রমজান মাস থেকে।অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আন্টিকে বলি আমার বেতন দেন আমি বাড়িত যামুগা।

বাড়ি আসার কথা বলাতে ইস্ত্রি গরম করে আমার শরীরে ছ্যাঁকা দেয়। তালা দিয়ে মেরে আমার দাঁত ফালাইয়া দিছে, খুন্তি গরম কইরা আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গা ছ্যাঁকা দিছে। এমনকি লজ্জার স্থানেও ছ্যাঁকা দিছে। আমার মাথা ফাটাইয়া চুল কাইট্টা দিছে।

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট কচুক্ষেত এলাকায় গত দুই মাস ধরে তার ওপর এমন নির্যাতন চলেছে চৈতালী ১/ডি ব্লকের সাবেক এক সেনা কর্মকর্তার বাসায়।প্রায়ই লোহার রড দিয়ে তাকে পেটানো হতো।বাদ যায়নি গোপনাঙ্গ ও স্পর্শকাতর স্থান। তালা দিয়ে মেরে ভেঙে দেয়া হয়েছে সামনের পাটির একটি দাঁত।অভিযুক্ত গৃহকর্ত্রী নিহত সেনা কর্মকর্তা তানভীরের স্ত্রী মীম

বাবা হাবিবুর রহমানের অভিযোগ,‘চার মাস আগে মাসিক পাঁচ হাজার টাকা বেতনে কাজের কথা বলে লিমাকে ঢাকায় এক আর্মি অফিসারের বাসায় নিয়ে যায় পাশের গ্রামের আছিয়া (জুয়েলের মা)। গত রমজান শুরুর আগে লিমা বাড়ি চলে আসতে চায়। কিন্তু মীম ম্যাডাম কিছুতেই তাকে দিতে রাজি হয়নি ‘

কাউকে কিছু না জানিয়ে মঙ্গলবার (৯ জুলাই) হালুয়াঘাটের একটি বাসে করে মেয়েকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় তারা। প্রথমে মেয়েকে দেখে আমরা চিনতেই পারিনি। মাথার চুল কাঁটা। সারা শরীরে পোড়া দাগ, আর ঘাঁ। পরে বুধবার মেয়েকে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি।’

হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান,হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। নির্যাতিতা লিমার পরিবার যদি অভিযোগ দেয় পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আলোচিত সংবাদ /১৩-০৭-২০১৯/এস আর

কমেন্ট করুণ

দয়া করে আপনার কমেন্ট করুণ
দয়া করে আপনার নাম দিন