ছাত্রলীগের কমিটির জন্য থাকছে পাঁচ শর্ত!

0

শনিবার হঠাৎ করেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরদিনই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী কেবল উনার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এবং ক্ষোভ প্রকাশের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল হয়নি বলেই ধরে নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী কমিটি বাতিলের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন সেটি ছিল ছাত্রলীগের বর্তমান নেতৃত্বের জন্য শেষ সতর্কবার্তা। প্রধানমন্ত্রী এখনই ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল না করে পাঁচ শর্তে কমিটি রাখার নির্দেশ প্রধান করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদককে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রী পাঁচ শর্তগুলো হলো-

১. অভিযুক্ত যাদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাদেরকে ন্যূনতম সময়ের মধ্যে বাদ দিতে হবে। ২. সারাদেশের যেখানে ছাত্রলীগের কমিটি নেই, সেখানে কমিটি গড়ে তুলতে হবে। কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ একক সিদ্ধান্তে কিছু করতে পারবে না। সে ব্যাপারে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। ৩. ইতোমধ্যে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো এসেছে সে ব্যাপারে তদন্ত করতে হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৪. ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে অতিথিদের দাওয়াত দিয়ে তাদের যথাযথ সম্মান দিতে হবে। কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করলে সেটার আধাঘণ্টা আগে ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। ৫. ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সব কর্মকাণ্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বা তার মনোনীত নেতৃবৃন্দের কাছে জানাতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ধরনা করা হচ্ছে আগামী দুই মাস এই শর্তের ভিত্তিতে ছাত্রলীগের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে। প্রসঙ্গত, ছাত্রলীগের নেতারা দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে এ ব্যাপার নিয়ে বৈঠক করেছেন।

আলোচিত সংবাদ /জ/৯/সেপ্টেম্বর ১৯

কমেন্ট করুণ

দয়া করে আপনার কমেন্ট করুণ
দয়া করে আপনার নাম দিন