| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

বিমানবন্দর থানার ওসি তাসলিমা আকতার ১ বছরে প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন

রিপোর্টারের নামঃ Super Admin
  • আপডেট টাইম : 08-12-2025 ইং
  • 229610 বার পঠিত
বিমানবন্দর থানার ওসি  তাসলিমা আকতার ১ বছরে প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন
ছবির ক্যাপশন: বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি তাসলিমা আকতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকা বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি তাসলিমা আকতার গত ১ বছরে অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করে এলাকার জনগনের কাছে  প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।

রাজধানীর বিমানবন্দর থানার আওতাধীন এলাকা একসময় অপরাধীদের জন্য ছিল অভয় আশ্রম।

একসময় চ্যালেঞ্জিং ক্রাইম জোন হিসেবে বিবেচিত ছিল এ এলাকা।

তবে অফিসার ইনচার্জ ওসি তাসলিমা আকতার দ্বায়িত্ব গ্রহন করার পর থেকে তিনি তার পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও অকল্পনীয় উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার অপরাধ দমন করে আসছেন।  

ওসি তাসলিমা আকতারের নতুন নতুন উদ্যোগ ও দিক নির্দেশনায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটনে তার ভূমিকা অকল্পনীয় ও প্রশংসনীয়। 

একজন সফল অফিসার ইনচার্জ হিসেবে তিনি জনগনের সেবায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। 

তার সততা ও নৈতিকতা সকল ক্ষেত্রে এনে দিয়েছে সম্মান ও ভালোবাসা। 

অপারেশন ইনচার্জ ওসি তাসলিমা আকতারের দক্ষ নেতৃত্ব অধীনস্থ সহকর্মীদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া, তাদের অনুপ্রাণীত করা এবং দলকে পরিচালনা করা তার প্রতি দিনের রুটিং এর অংশ।

ওসি তাসলিমা আকতারের বিচক্ষণতার, দ্রুত ও সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহন করের বিভিন্ন অপারেশন পরিচালনা করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

তিনি তার সহকর্মী, জনগন ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্পষ্ট ও কার্যকর যোগাযোগ বজায় রেখেছেন।

তিনি প্রতিনিয়তই জনগণের পক্ষে  জনগনের সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। 

তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ার দিয়েছেন। 

যারা মাদক বা অন্য কোন অপরাধের সাথে যুক্ত আছে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছেন।

বিমানবন্দর থানার প্রথম মহিলা পুলিশ অফিসার  হিসেবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিকে দ্বায়িত্ব পান তিনি।

দ্বায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন অপরাধ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। 

তিনি বিমানবন্দর থানায় দ্বায়িত্ব গ্রহন করা পর থেকে এলাকার অনেক অপরাধ কমে গিয়েছে।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তার দিক নির্দেশনায় চলছে নিয়মিত অভিযান।

২৪/১২/২০২৪ সাল থেকে ০৭/১২/২০২৫ সাল পর্যন্ত গত ১ বছরে অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যে কাজ করে প্রসংশা কুড়িয়েছেন সেগুলো হল।

ছিনতাই প্রবণ কাওলা এরিয়াতে ছিনতাই রোধের জন্য সিভিল এভিয়েশন এর সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে আবেদন সহ সমম্বয় করে কাউলা কবর স্থান এলাকায় দেয়াল স্থাপন করা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। 

FDEE এক্সপ্রেসওয়ে এর সাথে সমম্বয় করে এবং পর্যাপ্ত লাইটিং এর ব্যবস্থা করা হয়। 

থানা এলাকার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনের লক্ষে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন প্রেরণ পূর্বক থানা এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৫০ টি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। 

কাওলা বনরুপা এরিয়া তে ডিউটির জন্য স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় এবং সিভিল এভিয়েশন এর অনুমতি সংগ্রহ পূর্বক কাউলা বনরূপা এরিয়া তে গার্ড রুম নির্মান।

গত ১ বছরে  বিমানবন্দর থানা এলাকা হতে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত ছিনতাইকারী সহ সর্বমোট ১৭০৪ জন আসামীকে গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 উত্তরা ১ নং সেক্টর এলাকায় হকার উচ্ছেদ করে সেক্টর এলাকায় বসবাসরত জনগনের চলার পথ সুগম করা হয়েছে।

ইজি বাইক এর উত্পাত বন্ধ করা ।

থানা এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ রোধ করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। 

থানা এলাকায় নিয়মিত ডিউটির পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করে থানা এলাকা হতে হিজড়াদের উৎপাত বন্ধ করা হয়েছে।

বিমানবন্দরের মত কেপিআই এলাকা হতে ভিক্ষা বৃত্তি করে যারা জীবন যাপন করে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে ভিক্ষা বৃত্তি নিরোপন করা হয়েছে।

নিয়মিত ডিউটির পাশাপাশি সাদা পোষাকে অফিসার ফোর্স মোতায়েন করে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংঘটনের মিছিল সহ সভা সমাবেশ রোধ করা হয়েছে।

বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকজনদের ধৃত করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

যাতে গুরুত্বপূর্ণ কেপিআই এলাকায় কোন নাশকতা বা আত্বঃঘাতমূলক কার্যকলাপ না করতে পারে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা হতে বিদেশগামী যাত্রীদের সাথে যারা প্রতারণা করে তাদেরকে ধৃত করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

থানা এলাকায় নিয়মিত এন্ট্রি ক্রাইম মিটিং করে জনগনের মধ্যে মাদক, ইভটিজিং, যৌতুক, নারী নির্যাতন, মানবপাচার সহ আরো সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনামূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে।

থানা এলাকায় প্রতিমাসে বিভিন্ন পেশা শ্রেণীর মানুষের সাথে সমন্বয় সভা আয়োজন করা হয়েছে।

গত ১৮/১০/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের অগ্নি দূর্ঘটনার ঘটনায় দ্রুত  সময়ের মধ্যে অফিসার ফোর্স নিয়োজিত করে কেপিআই এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিভিন্ন ক্লুলেস অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার ও ডাকাতির ঘটনায় ৮ জন পেশাদার ডাকাত সহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একাধিক গাড়ী উদ্ধার করা হয়।  

এছাড়াও জাল নোট ৬,৩২,,৮২,০০০/- টাকার জাল নোট, ২ কেজি ৫০০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার, ১৪ কেজি ১৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

যা বিমানবন্দর কেপিআই এলাকায় নজিরবিহীন অভিযান।

একজন বিচক্ষণ মহিলা পুলিশ অফিসার হিসেবে এক বছরে বিমানবন্দর থানা এলাকায় সকল ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিরলসভাবে কাজ করে প্রসংশা কুড়িয়েছেন। 

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোচিত সংবাদ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় এলিট ডিজাইন