| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে ভিজিডি কার্ড অনিয়মের অভিযোগে ইউএনও'র বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

রিপোর্টারের নামঃ Super Admin
  • আপডেট টাইম : 03-08-2025 ইং
  • 461475 বার পঠিত
কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে ভিজিডি কার্ড অনিয়মের অভিযোগে ইউএনও'র বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর  মানববন্ধন
ছবির ক্যাপশন: কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে ভিজিডি কার্ড অনিয়মের অভিযোগে ইউএনও'র বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

আনোয়ার সাঈদ তিতু, জেলা প্রতিনিধি,কুড়িগ্রামঃ

কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভিজিডি কার্ডধারী অসহায় ও দুস্থ মহিলাদের মধ্যে অনেকর নাম কর্তন করেছেন এমন কথার অভিযোগে  চর রাজিবপুর আলিম মাদ্রাসা মাঠে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। 

২০২৫-২০২৬ চক্রে ভিডব্লিউবি উপকারভোগী (ভিজিডি) কার্ড কর্তনকৃত মহিলারা বলেন, আমাদের মেম্বাররা বলেন ইউএনও ০৮ হাজার করে টাকা চায়, টাকা না দেওয়ায় ভিজিডি কার্ড কর্তন করেছেন ইউএনও।

৬, ৭, ৮ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্যা শাহিদা বলেন, আমি জনগণের নিকট ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে থাকবো।

কিন্তু অতি পরিতাপের বিষয় ইউএনও সাহেব তা থাকতে দিচ্ছেন না।

অসহায় ও দুস্থ মহিলাদের মধ্যে বিনামূল্যে ভিজিডি কার্ড প্রদান করেছি, তা কর্তন করেছেন ইউএনও ফজলে এলাহী।

০২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, আমি অতি দুঃখিত যে ইউএনও এবং ইউপি চেয়ারম্যান আমার দেয়া ভিজিডি কার্ড কর্তন করেছেন।

আমি এর আগেও ১০ বছর রাজিবপুর ইউনিয়নের সদস্য ছিলাম।

কেউ বলতে পারবে না যে, আমি ভিজিডি কার্ডধারীদের নিকট টাকা নিয়ে কার্ড প্রদান করেছি।

এমনকি ভিজিএফ খেয়েছি। আর আমার দেওয়া ভিজিডি কার্ড কর্তন করেছেন ইউএনও সাহেব।

একজন ইউএনও ২০% ভিজিডি কার্ডের ভাগ কি ভাবে নিতে পারেন, তা আমার জানা নেই।

০২ নং কোদালকাটি ও ০৩ নং মোহনগঞ্জ ইউনিয়নও ভিজিডি কার্ডের ২০ শতাংশ ভাগ নিয়েছেন ইউএনও সাহেব।

জীবনে প্রথম দেখলাম ইউএনও সাহেব ভিজিডি কার্ডের ভাগীদার।

পিআইও আতাউর রহমান এর নিকট মুঠোফোনে ভিজিডি কার্ড কর্তন সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, আমি সফর সঙ্গীদের সঙ্গ নিয়ে তদন্ত করেছি সরেজমিন।

যাচাই অন্তে কর্তন করেছি, সঙ্গে ছিলেন ইউপি সচিব নুরুন্নবী ও বিএস জহুরুল ইসলাম।

বিএস জহুরুল ইসলাম এর নিকট মুঠোফোনে চাইলে বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।

পিআইও অফিসের এক পিওন এসে বললো, ইউএনও সাহেব আপনাকে এখানে স্বাক্ষর করে দিতে বললো।

আমি ইউএনও সাহেবের অধিনস্ত কর্মচারী, তাই স্বাক্ষর দিয়েছি।

ইউপি সচিব নুরুন্নবী নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে বলেন, আমাকে চিঠি দিয়েছেন বিনা তদন্তে স্বাক্ষর দিতে হবে, তবে আমি চিঠিতে স্বাক্ষর করি নাই।

যেহেতু তদন্ত করা হয় নাই ভিজিডি কার্ডের। বিক্ষুব্ধ ভিজিডি কার্ড কর্তনকৃত মহিলারা বলেন, কেউ তদন্ত করতে আসে নাই আমাদের বাড়িতে।

আমরা সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি এবং অবিলম্বে সরজমিনে তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

তৎসঙ্গে আমরা হতদরিদ্ররা কর্তনকৃত ২৬২ টি ভিজিডি কার্ড পূর্ণবহাল চাই।


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোচিত সংবাদ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় এলিট ডিজাইন