মনোয়ার ইমাম, কোলকাতাঃ
গত কয়েক দিন ধরে গোটা মহারাষ্ট্র রাজ্যের বোম্বাই সহ বিভিন্ন যায়গায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জলের তলায় গোটা বোম্বাই শহর। এতটা বৃস্টিপাত হয়েছে যে লাখ লাখ মানুষ ঘরের ভিতরে ঢুকে রয়েছে।
ইস্কুল কলেজ ও সরকারি দপ্তর বন্ধ রয়েছে। জলের তলায় বোম্বাই শহরের বহু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ঘাট এবং অন্যান্য অফিস আদালত।
এবং বোম্বাই শহরের বিমান চলাচল স্বাভাবিক নয়।জন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গোটা বোম্বাই শহর।গাড়ি চলাচল বন্ধ।
কোথাও কোথাও নৌকা চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে খাদ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য।
নামানো হয়েছে আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের এবং দুর্যোগ মোকাবেলা বাহিনীর সদস্যদের।
বহু ঘর বাড়ি পানি র তলায় রয়েছে। বোম্বাই শহরের অদূরে আরব সাগরের ভয়ঙ্কর ঢেউ তান্ডব চালিয়েছে যাচ্ছে।
ইন্ডিয়া গেট ও পুনে যাওয়ার রাস্তা ঘাট বন্ধ রয়েছে।ঔরঙ্গবাদ এবং নেভী বোম্বাই শহরের বিভিন্ন যায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
শিবাজী চক এবং বান্দ্রার সেন্টার এলাকায় বৃস্টির পানিতে ডুবে রয়েছে।রেল স্টেশন এর উপর দিয়ে জলের স্রোত বয়ে যাচ্ছে।জন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গোটা বোম্বাই শহর।
নামানো হয়েছে ভারতের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের। আকাশ পথে শুকনো খাবার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোথাও বৃস্টির জল নামতে পারেনি।
তবে বোম্বাই কে স্বাভাবিক রাখতে সবধরনের সহযোগিতা করছেন মহারাষ্ট্র রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবিশ।
মহারাষ্ট্র রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবিশ ইতিমধ্যেই সাহায্য করার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কাছে আহ্বান জানান।
বোম্বাই পৌরসভা চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার জন্য এবং তাদের কে সাহায্য করতে।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা যারা সাধ্য চেষ্টা করছে সবধরনের সহযোগিতা করতে।রিলিফ ও ত্রিপল ও শুকনো খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য সবধরনের ব্যাবস্থা নিয়েছেন।
এখন পর্যন্ত বোম্বাই শহরের বিভিন্ন স্থানে জলে ভেসে যেতে যাচ্ছে বহু গাড়ি ঘোড়া।আরব সাগরের ঢেউ তান্ডব চালিয়েছে গোটা বোম্বাই শহরে।
আকাশ পথে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। উদ্ধার কাজে তারা বড় ভূমিকা পালন করছে।
সাথে সাথেই সব রাজনৈতিক দল বন্যা কবলিত এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য সবধরনের সহযোগিতা করছেন।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |