নিজস্ব প্রতিনিধি, নোয়াখালীঃ
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত স্বল্প জীবনকাল, উচ্চ ফলনশীল ও লবণাক্তটা সহনশীল আমন ধানের চাষাবাদ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকালে চরবাটা ইউনিয়নের পশ্চিম চরবাটা গ্রামে বিনা উদ্ভাবিত আমন ধানের উন্নত জাত বিনা-২৩ এর মাঠ দিবস পালিত হয়।
এ সময় বিনাধান-১৭ ও বিনাধান- ২৬ এর সাথে ব্রি ধান-৫২ এর প্রায়োগিক পরীক্ষণ মূল্যায়ন ও চাষাবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কৃষক-কৃষাণীদের সাথে বিস্তর আলোচনা করা হয়।
বিনা উপকেন্দ্র নোয়াখালীর আয়োজনে ও বিসিসিটিএফ প্রকল্প এর অর্থায়নে উক্ত অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ড. মোঃ হাসানুজ্জামান প্রকল্প পরিচালক (বিসিসিটিএফ প্রকল্প) ময়মনসিংহ।
নোয়াখালী উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মোঃ ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক সুগারক্রপ গবেষণা কেন্দ্র, নোয়াখালীর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইনচার্জ ড. রনজিৎ চন্দ্র কবিরাজ, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ হারুন অর রশিদ, বিনা উপকেন্দ্র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মোঃ জুবায়ের আল ইসলাম, বিনা উপকেন্দ্র নোয়াখালীর খামার তত্ত্বাবধায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটিতে বক্তারা লবণাক্তটা সহনশীল আগাম আমন ধানের জাতের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বিনা উদ্ভাবিত স্বল্প জীবনকাল আমন ধানের বিকল্প নেই।
বিনা উদ্ভাবিত বিনাধান- ২৩ এবং বিনা ধান২৬ স্বল্পমেয়াদি, লবনাক্তটা সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল হওয়ায় অত্র এলাকায় কৃষকের মাঝে ব্যপক উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন শস্য নিবিরতা বৃদ্ধি করার লক্ষে অর্থাৎ বছরে জমিতে একাধিক ফসল চাষাবাদ করার জন্য এবং দেশের শস্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে এ ধরনের অনুষ্ঠান ফলপ্রসূ হবে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |