খুলনা প্রতিনিধি:
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার স্কুলভিটা এলাকায় সংঘটিত আলোচিত রাসেদ হত্যা মামলায় নিরীহ পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সুফিয়া বেগম। এ অভিযোগে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
লিখিত বক্তব্যে সুফিয়া বেগম বলেন, রাসেদ হত্যা মামলার সঙ্গে তাদের পরিবারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। তবুও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের পরিবারের সদস্যদের মামলায় জড়ানো হয়েছে, যার ফলে তারা সামাজিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
তিনি দাবি করেন, নিহত রাসেদের স্ত্রী ও ইমরান হাওলাদারের পূর্ববর্তী পারিবারিক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিদ্যমান বিরোধের জের ধরে তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় তার স্বামী হরমুজ হাওলাদার, শ্বশুর হাফেজ হাওলাদার, বড় ছেলে মন্টু হাওলাদার (৪০), মেজ ছেলে মিন্টু হাওলাদার (৩৫) এবং নাতি অনিক হাওলাদার (১৮)-কে আসামি করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, “প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে আমাদের পরিবারের কোনো যোগসূত্র নেই। শুধুমাত্র অনুমান ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা চাই, এই মামলার নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্ত হোক এবং প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক।”
তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্দোষ ব্যক্তিদের হয়রানি না করে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হোক এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য সামনে আনা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ফাহিমা নামের মামলার মূল হোতা ফাহিমা সুচতুর ধুরস্কার, এলাকায় লক্ষ্মী রানী হিসেবে খ্যাত (চুরি ছিনতাই হানিট্যাপ এর সদস্য সহ খুলনা বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে), এই পর্যন্ত তার ৫ টি বিয়ে হয়, তার ১ম স্বামী স্বপন কে ফহিমা নিজেই মার্ডার করায়, ২য় স্বামী রুপসা এলাকার এক রিক্সা চালক তাকেও টাকা হাতিয়ে নিয়ে তালাক দেয়, ৩য় স্বামী মোড়লগঞ্জ গ্রামের বাড়ি একটি বিবাহ করে, ৪র্থ বটিয়াঘাটা ছয়ঘরিয়া এলাকার ইমরানের সাথে বিবাহ হয় ইমরানের সকল অর্থ সম্পতি ও ইমরানে ৫ মাসে বাচ্ছা নস্ট করে রাশেদে এর সাথে বিবাহ বসেন, ইমরান জেলে থাকায় তারই বন্ধু ৫ম স্বামী রাসেদ এর সাথে বিবাহ হয়, সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে সুফিয়া বেগম বলেন, “আমাদের একমাত্র দাবি—সত্য উদঘাটিত হোক, প্রকৃত অপরাধীর বিচার হোক, কিন্তু কোনো নির্দোষ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন।”
তিনি দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |