নয়ন রায়, যশোর প্রতিনিধিঃ
যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের মণিরামপুর পৌর এলাকা যেন যানজটের বড় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। মণিরামপুর বাজারের মাঝ দিয়ে যাওয়া ব্যস্ততম এই সড়কে ঢাকাগামী বাসসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যানবাহন চলাচল করে। তবে সরু সড়ক, অবৈধ দখল, যত্রতত্র পার্কিং ও ফুটপাত দখলের কারণে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। এতে দূরপাল্লার যাত্রীসহ স্থানীয় মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চলমান থাকলেও যানজট নিরসনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থায়ী ও কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। ফলে একের পর এক উদ্যোগ ও আশ্বাসের পরও পরিস্থিতির স্থায়ী পরিবর্তন হচ্ছে না।
যশোরের মণিরামপুর উপজেলা সদরের যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে প্রতিদিনের যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ব্যস্ততম সড়কগুলোতে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, সড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও ফুটপাত দখলের কারণে দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে পথচারী ও যাত্রীদের।
এতে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স এবং সাধারণ যাত্রীরা প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। সকাল ও বিকেলের ব্যস্ত সময়ে উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। অনেক সময় জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সও যানজটে আটকে যায় বলে জানান স্থানীয়রা।
ব্যবসায়ীরা জানান, যানজটের কারণে ক্রেতাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে এবং বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা চালু এবং নিয়মিত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা জরুরি।
স্থানীয়রা জানান, রাজগঞ্জ মোড়ে যাত্রীবাহী যানবাহনের যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করা গেলে যানজট অনেকটাই কমে আসবে। এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কিছুদিন পর আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে পরিস্থিতি।
এ বিষয়ে মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্রাট হোসেন বলেন, মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভায় বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে রাজগঞ্জ মোড়ে যাত্রী ওঠানামা বন্ধের বিষয়ে বলা হয়েছিল। তারা বিষয়টি মেনে নেওয়ার কথা জানালেও কিছুদিন পর আবার আগের মতো যাত্রী ওঠানামা শুরু করায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়রা মণিরামপুরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্থায়ী ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |