স্টাফ রিপোর্টার,ভালুকা, ময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভূমির একাংশে টিনশেড ঘর ও টিনের বেড়া নির্মাণ করে দখলের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা ও পরিষদ সংশ্লিষ্টরা।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, পরিষদের নিজস্ব ভূমির পরিমাণ প্রায় এক একর। সম্প্রতি ওই জমির উত্তর ও পশ্চিম পাশে টিনশেড স্থাপনা এবং টিনের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় জমির মালিকানা ও সীমানা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের উত্তর ও পশ্চিমাংশ ঘেঁষে টিনশেড ঘর নির্মাণ এবং টিনের বেড়া দিয়ে জায়গা ঘিরে রাখার কাজ চলছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
মেদুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোবারক হোসেন বলেন, “অফিস বন্ধ থাকার সময় জায়গাটি দখল করা হয়েছে। দুই পাশের জায়গা দখল হয়েছে, এটি সত্য। তবে কীভাবে দখল হয়েছে, তা আমরা জানি না। আমরা একাধিকবার জমি পরিমাপের উদ্যোগ নিয়েছিলাম, কিন্তু বিভিন্ন কারণে তা সম্ভব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে দ্রুত সীমানা নির্ধারণ করে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কবির উদ্দিন বলেন, “অফিস বন্ধের সুযোগে এ ধরনের কাজ করা হয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে আমি নায়েবের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, কিছু অংশ খাস খতিয়ানভুক্ত এবং বাকি অংশ ইউনিয়ন পরিষদের নামে বিএস/বিআরএস রেকর্ডভুক্ত। জমিতে থাকা কয়েকটি গাছও কেটে নেওয়া হয়েছে, তবে কারা করেছে তা জানা যায়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে দখলদার পক্ষের একজন, জহিরুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “এটি আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। আমি আমার নিজস্ব জায়গাতেই ঘর নির্মাণ করেছি। প্রশাসনের মাধ্যমে জমি পরিমাপ করে ইউনিয়ন পরিষদের সীমানা নির্ধারণ করা হোক। যদি প্রমাণিত হয় যে এটি আমাদের জমি নয়, তাহলে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘর সরিয়ে নেব।
এ বিষয়ে মেদুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আসিফ আহম্মেদ রাজিব বলেন, “সম্প্রতি বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। জমি নিয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করে দ্রুত জমির সীমানা নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |