চট্টগ্রাম দক্ষিণ প্রতিনিধিঃ
দোহাজারী ষ্টেশনটি হাইওয়ে সড়কের উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে যদি আপনি দোহাজারী যান আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এইটা কি হাইওয়ে সড়ক নাকি সিএনজি, অটোরিকশার ষ্টেশন ।
অথিব দুঃখের বিষয় বছর পূর্বে হাইকোর্ট কর্তৃক আইন পাস হয় কোন অটোরিকশা, সিএনজি হুন্ডা কোন তিন চাকা বা দুই চাকার কোন যানবাহন চলাচল করতে পারবে না অথচ বর্তমানে হাইকোর্ট কে বৃদ্ধ আংগুল দেখিয়ে চলছে সিএনজি ও অটোরিকশা। হাইওয়ে সড়ক কে যানজট ও দূর্ঘটনা মুক্ত করতে এই আইন হয়।
কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশ কেবা কারা শুনে কার কথা একটি আইন পাস করলেও বর্তমানে কার আইন কে মানে।
হাইকোর্টের আইন টি হচ্ছে কোন ধরনের সিএনজি, অটোরিকশা,হুন্ডা সহ অবৈধ গাড়ি হাইওয়ে সড়কে চলাচল করা যাবে না ।
এই আইন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলায় কয়েকটি ষ্টেশনে বাস্তবায়ন করতে দেখা যায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন , অন্যদিকে দোহাজারী ট্রাফিক বিভাগ এই আইনটি কাজে লাগিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন মহল।
সচেতন মহল আরো বলেন দোহাজারী ষ্টেশনে ট্রাফিক পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবাজির কারণে সড়কে প্রচন্ড যানজটের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত।
এই নিয়ে ভূক্তভুগীদের ব্যাপক অভিযোগ। ভুক্তভোগীরা জানান চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ গাড়ির মালিক, চালক ও সাধারণ যাত্রীরা।
রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে টাকা নেয়ার কারণে সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট।
দিনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা এই চাঁদাবাজি করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গাড়িচালক ও স্থানীয় লোকজনের সূত্রে জানা গেছে, সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত আর একটা গ্রুপ দুপুর ২টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত ডিউটির নামে চলছে চাঁদাবাজি।
ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি চন্দনাইশ রাস্তার মাথায় ট্রাফিকের পক্ষ থেকে চাঁদাবাজির ‘দায়িত্বে নিয়োজিত আছে একটি দালাল গ্রুপ ।
এই বিষয়ে বিভিন্ন গনমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এই ছাড়া ও কিচ্ছু দিন পূর্বে তদন্ত হয়েছে বিষয়টি নিয়ে।
এরপর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত করে তদন্ত শেষ হতে না হতেই আরো দ্বিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে সিএনজি ও অটোরিকশা থেকে চাঁদাবাজি আরো বেড়ে গেছে সিএনজি ও অটোরিকশা আবার কিছু জায়গায় রাত ১১টার পরও ট্রাফিক পুলিশের কিছু সদস্যকে দেখা যায় অবস্থান নিতে।
স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতিদিন রাত ১১টার দিকে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের রাস্তায় দেখেন তারা। তবে আলোতে নয়, আঁধারে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা।
সরেজমিনে পরিদর্শন করতে গিয়ে ঘটনার বাস্তব চিত্র দেখা যয় ট্রাফিক পুলিশ এবং ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজি চলতে দেখা যায় প্রকাশ্যে।
প্রতিটি মোড়ে ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে নজর করলে চোখে পড়বে তাদের অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজির দৃশ্য।
বৈধ কিংবা অবৈধ যা-ই হোক, সিগন্যাল দিলেই প্রতিটি গাড়িকে দিতে হবে টাকা। টাকা না দিলে হরেক রকম মামলা দেয়ার অভিযোগ ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে ।
দোহাজারী এলাকার মতিউর রহমান নামের এক বাস চালক জানান, ট্রাফিক পুলিশ সিগন্যাল দিলেই বুঝতে হবে টাকা দিতে হবে। টাকা না পেলে যেকোনো অজুহাতে মামলা দেবেই।
তিনি আরো বলেন, ‘কিছুদিন পূর্বে কলেজ গেইট এলাকায় গাড়ি নিয়ে চট্টগ্রাম অভিমুখে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে ট্রাফিক সার্জেন্ট আমার চলন্ত গাড়িতে সিগন্যাল দেয় আমার গাড়ি থামাতে একটু সময় লাগলো বলে আমাকে মারধর করে ড্রাইভার কে মারধর করার আইন কোন আইনে আছে এবং মামলা দিয়ে দেন এবং বলেন এই কথা কারো কাছে বললে এর চেয়ে আরো দ্বিগুন শাস্তি দেওয়া হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দোহাজারীতে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, দোহাজারী ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজির কারণে দোহাজারী থেকে চন্দনাইশ কলেজ গেইট পর্যন্ত প্রতিদিন যানজটের সৃষ্টি হয় দোহাজারী এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ নয়, সাথে আছে সোর্স সিন্ডিকেট। সোর্সর বিভিন্ন এলাকায় সিএনজি অটোরিকশা থেকে টাকা নেয়।
একটি সূত্র জানায়, চন্দনাইশ কলেজ গেইট এলাকায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কোনো গাড়ি রাস্তার আশপাশে দাঁড়ালে সেটি ব্রেকার দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে। প্রতি গাড়ি থেকে ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন।
এই টাকা থেকে ট্রাফিকের ডিসি পর্যন্ত সব কর্মকর্তার জন্য ভাগ যায় বলে অভিযোগে জানা যায়। এই উপরস্থ এক কর্মকর্তা বলেন‘চাঁদাবাজির বিষয়ে আমার জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কতটি স্পটে ট্রাফিক পুলিশ রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি সঠিক জানেন না বলে জানান।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অর্থ, প্রশাসন ও ট্রাফিক) বলেন, ‘আপনারা ছবি বা অভিযোগ পেলে নিউজ করেন।
তাদের বিরুদ্ধে আমরা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব। তাদের টাকা নেয়ার কোনো সুযোগ নেই।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |